Receive up-to-the-minute news updates on the hottest topics with NewsHub. Install now.

নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে জয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস...-725122

January 12, 2019 9:45 AM
8 0
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে জয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস...-725122

আমাদের সুশীল সমাজ সব সময়ই বলার চেষ্টা করে বাংলাদেশের ভোটাররা নাকি পরিবর্তন চায়। এসব ঢালাও কথাবার্তা, যার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এ থেকেই বোঝা যায়—আসলে তারা কতটা জনসম্পৃক্ততাহীন। আপনি যদি একজন সাধারণ মানুষ হন, এমনকি ধনী ব্যবসায়ীও হন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশের অর্থনীতি যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার সুফল আপনিও পাচ্ছেন। কেউ কেন এমন একটি সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দিতে চাইবে, যাদের আমলে তার জীবন বা ব্যবসার উন্নতি ঘটেছে?

আমাদের নির্বাচনী প্রচার কিন্তু গত বছর শুরু হয়নি। আমরা ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর থেকে আমাদের প্রচারণা শুরু করে দিয়েছিলাম। জনগণের কাছে আমাদের উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কোনো সুযোগই হাতছাড়া করিনি। আমরা তাদের বুঝিয়েছি, যা উন্নয়ন ও অগ্রগতি হচ্ছে, তা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার কারণেই হচ্ছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক যত উন্নয়ন দেখা যাচ্ছে, তার পেছনে আছে আমাদের দলের ভিশন, পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও পরিশ্রম। যার কৃতিত্ব আমাদের দলীয় মন্ত্রী, সাংসদ, কাউন্সিলরসহ সবার। যখন আমাদের বিরোধী পক্ষ ও সুশীল সমাজ ব্যস্ত ছিল সমস্যা ও নালিশ নিয়ে, আমরা ব্যস্ত ছিলাম জনগণকে সমস্যার সমাধান দিতে। সুশীল সমাজের একটি বড় অপপ্রচার হচ্ছে, নতুন ভোটাররা রাজনৈতিক দল নিয়ে মাথা ঘামায় না ও তাদের বেশির ভাগই নাকি পরিবর্তন চায়। তারা বুঝতে পারেনি যে এই নতুন ভোটাররা আমাদের আমলের উন্নয়নের মধ্যে বড় হয়েছে, যা তাদের জীবনকে করেছে আরও সহজ ও উন্নত। তারা কেন আমাদের ভোট দেবে না?

জনমত জরিপগুলো থেকে খেয়াল করেছি যে বিএনপি ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত যে অগ্নিসন্ত্রাস চালায়, তারপর থেকেই তাদের জনপ্রিয়তায় ব্যাপক ধস নামে। পেট্রলবোমা সন্ত্রাসের আগে জরিপগুলোয় বিএনপি আওয়ামী লীগ থেকে জনপ্রিয়তায় ১০ শতাংশ পিছিয়ে থাকত। কিন্তু রাজনীতির নামে সন্ত্রাসবাদের কারণে তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের ব্যবধান ৩০ শতাংশ হয়ে যায়, আর তারপর থেকেই বাড়তেই থাকে। এ ছাড়া তাদের আত্মঘাতী নির্বাচনী প্রচারণার বিষয়টিও আমাদের আমলে নিতে হবে। নির্বাচনী প্রচারণায় কমতি ছিল পরিষ্কারভাবেই। তার ওপর তারা তারেক রহমানের মাধ্যমে নিজেদের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয়। আর মানুষের মনে ভেসে ওঠে হাওয়া ভবন আমলের দুর্নীতি ও সহিংসতার দুঃসহ সব স্মৃতি। তারেক রহমান আবার মনোনয়ন দেন একাধিক চিহ্নিত অপরাধী ও যুদ্ধাপরাধীকে। এর মাধ্যমে কি তাদের জনপ্রিয়তা বাড়বে, না কমবে?

ঐক্যফ্রন্টের নেতা কামাল হোসেন নিজে নির্বাচনই করেননি। কারণ, তিনি জানতেন, তিনি কোনো আসন থেকে জিততে পারবেন না। কিন্তু তাঁরা আমাদের কিছুটা অবাকও করেছেন। ভোটের লড়াইয়ে প্রথমবারের মতো কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরাম একটি নয়, দুটি আসন থেকে জয়লাভ করে। কারচুপি যদি হতোই, তাহলে যে দল আগে কোনো নির্বাচনেই কোনো আসন পায়নি, তারা কীভাবে দুটি আসনে জেতে?

সত্য আসলে বেশি জটিল না। বাংলাদেশের জনগণ, বিশেষ করে তরুণেরা, দেখছে কীভাবে শেখ হাসিনার মতো একজন ডাইনামিক নেত্রী দেশকে উন্নতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তাই বিরোধী পক্ষের শত অপবাদ, অপপ্রচার ও কাদা ছোড়াছুড়ি কোনো কাজে আসেনি। কারণ, দিন শেষে মানুষ তাকেই বেছে নেয়, যে তাকে উন্নত জীবন দিতে পারবে।"

উত্স: kalerkantho.com

সামাজিক নেটওয়ার্কের মধ্যে শেয়ার করুন:

মন্তব্য - 0