Receive up-to-the-minute news updates on the hottest topics with NewsHub. Install now.

প্রতিপক্ষ যে লাতিন, তাই শঙ্কায় বেলজিয়াম ...-654428

July 5, 2018 4:07 AM
18 0
প্রতিপক্ষ যে লাতিন, তাই শঙ্কায় বেলজিয়াম ...-654428

জাপানের সঙ্গে অমন রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জেতার পরের দিনটা খেলোয়াড়দের বিশ্রামই দিয়েছিলেন বেলজিয়ামের কোচ রবার্তো মার্তিনেস। জিরিয়ে নিয়ে ফের অনুশীলনে নেমে পড়েছেন রোমেলু লুকাকু, কেভিন দি ব্রুইনরা। তবে কাল অনুশীলন হয়েছে বল ছাড়াই! সাইক্লিং, জিম আর বক্সিং! সাইকেল চালালে বাড়ে ফুসফুসের কার্যকারিতা, মন হয় চাপমুক্ত। অন্যদিকে বক্সিং জাগিয়ে তোলে আক্রমণাত্মক মনোভাব। ব্রাজিলকে হারাতে দুই-ই যে চাই মার্তিনেসের!

বেলজিয়ামের জন্য যথার্থই ‘বিশ্বকাপ’ হচ্ছে এবারের আসর। সব কনফেডারেশনের প্রতিপক্ষের সঙ্গেই খেলা হয়ে যাচ্ছে ‘রেড ডেভিল’দের। গ্রুপ পর্বে আফ্রিকা ও কনকাকাফের প্রতিনিধি তিউনিসিয়া ও পানামার সঙ্গে খেলার সুযোগ হয়েছে বেলজিয়ামের। ইউরোপের ইংল্যান্ডও ছিল গ্রুপসঙ্গী। এরপর শেষ ষোলোয়ও এশিয়ার প্রতিনিধি জাপানের মুখোমুখি হয়েছিলেন দ্রিস মের্তেনস-এডেন হ্যাজার্ডরা। কোয়ার্টার ফাইনালে তারা সামনে পাচ্ছে লাতিন আমেরিকার ব্রাজিলকে। দলটা ব্রাজিল বলে নয়, প্রতিপক্ষ লাতিন আমেরিকার বলেই তো ভয়টা বেশি। কারণ নক আউট পর্বে কখনোই যে লাতিন আমেরিকার কোনো দলকে হারাতে পারেনি বেলজিয়াম!

১৯৩০ থেকে ১৯৮২—এই সময়ের ভেতর বার ছয়েক বিশ্বকাপে খেললেও কখনোই গ্রুপ পর্বের গণ্ডি থেকে বের হতে পারেনি বেলজিয়াম। ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে এনজো শিফোদের দলটা সোভিয়েত ইউনিয়ন ও স্পেনকে হারিয়ে উঠে আসে সেমিফাইনালে। কিন্তু সেখানে যে তাদের দেখা হয়ে যায় আর্জেন্টিনার সঙ্গে! মেক্সিকো বিশ্বকাপের মহানায়ক ডিয়েগো ম্যারাডোনার দুটি গোল বেলজিয়ামকে বিদায় করে দেয় অ্যাজটেকদের দেশ থেকে। সেই দুঃখ এখনো ভুলতে পারেননি শিফো, ‘সে একাই আমাদের ফাইনালের রাস্তা থেকে ছিটকে ফেলে দিয়েছিল। ম্যারাডোনাই ব্যবধানটা গড়ে দিয়েছিল, রীতিমতো ধ্বংস করে দিয়েছিল।’ এরপর ২০০২ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের কাছে ২-০ গোলে হেরে শেষ ষোলো থেকে বিদায় মার্ক উইলমটসের দলের। বেলজিয়ামের বিপক্ষে ’৮৬-র ম্যারাডোনার ভূমিকায় ২০০২ সালে ব্রাজিলের রো-রো জুটি! রোনালদো ও রিভালদোর দুই গোলেই খেল খতম বেলজিয়ামের। এরপর ২০০৬, ২০১০ বিশ্বকাপে মূল পর্বে খেলাই হয়নি বেলজিয়ামের, এডেন হ্যাজার্ডদের সোনালি প্রজন্মটা তাদের পৌঁছে দিল ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে। বেশ দাপটের সঙ্গে খেলেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোয় ওঠে তারা, সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জেতে ২-১ গোলে। কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনার। ২০১৪ বিশ্বকাপটা আর্জেন্টিনা যে জিততে পারেনি, তার জন্য অনেকেই গালমন্দ করেন গনসালো হিগুয়েইনকে। ফাইনালে তিনি যে নষ্ট করেছিলেন সহজ সুযোগ! সেই হিগুয়েইন তাঁর একমাত্র গোলটি পেয়েছিলেন কোয়ার্টার ফাইনালে, বেলজিয়ামের বিপক্ষে। আনহেল দি মারিয়ার শট বেলজিয়ামের রক্ষণভাগের এক খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে চলে এসেছিল হিগুয়েইনের কাছে। সুযোগটা লাগিয়ে ফেলেছিলেন তিনি!

উত্স: kalerkantho.com

সামাজিক নেটওয়ার্কের মধ্যে শেয়ার করুন:

মন্তব্য - 0