অপহরণের পর খুন, পুলিশ নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে!...-636585

May 15, 2018 3:20 PM

56 0

অপহরণের পর খুন, পুলিশ নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে!...-636585

"এই বজ্জাত পুলিশগুলো খালি খায় আর ঘুমায়। একেকটার ভুড়ি দেখলে মনে হয়, যত শয়তানি বুদ্ধি ওই ভুড়ির মধ্যে থাকে। আস্ত একেকটা শয়তানের হাড্ডি। অফিসারগুলো আরও পাজি। পারে শুধু ভাব মারতে, কাজের বেলায় ঠনঠনাঠন। আমার আত্মীয়কে খুন করে তার ২৫/৩০ লাখ টাকা গায়েব করা হলো। লাশটাও পাওয়া গেল না। চেঁচায়া গলা ফাটাচ্ছি অথচ ওসির কানে কথা ঢোকেই না। আরেকজন কি জানি সার্কেল না ফার্কেল, সে তো দেমাগে কথাই কয় না। যদি ছানোয়ারকে খুঁজে না পাই তাহলে মজা দেখাবো।"

এর মধ্যে ওসি সাহেব লোক পাঠিয়ে ঘুম থেকে তুলে এনেছেন যে হোটেলের সামনে ধৃত ব্যক্তি মিন্টু আর নিখোঁজ ছানোয়ারের সাক্ষাৎ হয়েছিল তাকে। বেচারার কাঁচা ঘুম নষ্ট হয়েছে, মহা বিরক্ত। সে এক নিঃশ্বাসে বলে গেল। তার দোকানে মিন্টু একটা ব্যাগ রেখেছিল। খালি ব্যাগ। একটু পরে ছানোয়ার আসলে ব্যাগটা মিন্টু ছানোয়ারকে দেয়। কোন কথা হয়নি। কেউ কিছু খায়ও নি। এর বেশি সে জানে না। মহা যন্ত্রণায় পড়ে গেলাম। হঠাৎ অতিরিক্ত ডিআইজি তৌফিক মাহবুব চৌধুরী স্যারের কথা মাথায় আসলো। ওসি সাহেবের সাথে পরামর্শ করে তার টেকনিট অ্যাপ্লাই করা হল। একটা সাদা কাগজে মিন্টুকে লিখতে বলা হল তার সারা দিনের কার্যক্রম। মিন্ট একটু করে লেখে আর ঘামে। এক লাইন লেখে আর পাঁচবার ভাবে। অবশেষে দেড় ঘণ্টায় দেড় পাতা লিখলো সে। সব লিখলো শুধু ব্যাগের বিষয়টা বেমালুম চেপে গেল। এইবার ইন্সপেক্টর খাইরুল সাহেব আর সুব্রত এর নজর পড়লো বিষয়টার উপর। বোঝা গেল মিন্টু কিছু একটা লুকাচ্ছে। ওসি সাহেব মিন্টুকে প্রশ্নবানে জর্জরিত করতে লাগলেন। ব্যাগের কথা বলতেই মিন্টু ফ্যাকাসে হয়ে গেল। তারপর বলল স্যার ছানোয়ার ২/৩ দিন আগে আমাকে সাথে নিয়ে বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগের মত একটা ব্যাগ কিনে আমাকে বলে ডাক বাংলো মোড়ের দর্জির দোকানে রাখতে। আমি ওই ব্যাগটা নিখোঁজের দিন সে চাইলে এনে ফেরত দেই। এরপর আর জানি না। ওসি সাহেব নাছোড়বান্দা। দর্জিকে ভোর রাতে উঠিয়ে আনলেন। জানা গেল ঘটনা সত্য। কিন্তু এ কথা পরিবার কি বিশ্বাস করবে? আর আসলেই লোকটা গেল কোথায়, সেটাও একটা প্রশ্ন?

উত্স: kalerkantho.com

বিভাগ পাতা

Loading...